উত্তুরে হাওয়ায় দুলছে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা। ঈদের ছুটির কারণে দেশের পত্র-পত্রিকাও বন্ধ। ঠিকমত বুঝতে পারছিলাম না দেশের অবস্থা। আজ শনিবার। কিছু কিছু পত্রিকা আবার নিয়মিত। কিন্তু আমার নিয়মিত কিছু ফিচার পাতা না পেয়ে মূল পত্রিকায় আগে চোখ বুলাতে হলো। খবরাখবর তেমন কিছু দাগ কাটতে পারছিলো না। রাজনৈতিক নাটক চলছে…চলবে…। (ভেবে কিছু করার নেই, তবুও কিছু একটা করার দরকার!) ‘অসুস্থ লোকটি’ শপথ নিচ্ছে না, এলডিপি-র আত্মপ্রকাশ, হাওয়া ভবন নিরব, জাপানকে ‘ক্ষুদ্রঋণ’-এর ধারণা গ্রহণ করার উপদেশ (জাপানের আর কি কি দরকার!?), এরশাদের চারদলীয় জোটে না যাওয়াসহ সংক্ষিপ্ত কিছু খবর। (ছুটির রেশ এখনো কাটেনি কিনা, তাই!) তবে আমার কাছে সবচেয়ে বড় খবরটি ছিলো- যায়যায়দিনের বন্ধ ঘোষণার খবরটি। এটা দৈনিক হবার আগে সাপ্তাহিকে এটার দৈনিক হওয়া নিয়ে শফিক রেহমানের ‘দীর্ঘ’ বিজ্ঞাপনটির কথা মনে পড়ে গেল। এতো আয়োজন এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়াটা সত্যিই দুঃখজনক। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এই সময়ে বিএনপির কাছে আরো কষ্টকর। বেচারাদের পক্ষে সাফাই গাইবার মত দৈনিক তো আর থাকলো না।
[আমার কষ্ট হবে তাদের ওয়েবসাইটটির জন্য। ১০০ভাগ ইউনিকোড ছিল। কপি-পেষ্ট করার জন্য ছিল চমত্কার। ফিরে এস ‘চলেযাওয়াদিন’!]


(2 ভোট, গড়: 4, 5-এর মধ্যে)
আজকে আরেকটি খবর পড়েতো আমার মাথা খারাপ হবার অবস্থা। কর্মচারীদের পাওনা টাকা না দিয়ে দেশ ছেড়ে চোরের মত পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন শফিক রেহমান! অনেক এয়ারলাইনসে চেষ্টা করলেও যায়যায়িদন-এর চাকিরচ্যুত কর্মচারীদের নানা তত্পরতার কারণে কোন এয়ারলাইনসে তাকে নেয়া হয়নি। অবাক ব্যাপার!
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সব এয়ারলাইন্স কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে ভোর বেলা ফিরে গেছেন বাসায়। কিন্তু যায়যায়দিনের কর্মচারীরা বাসায় গিয়ে শুনেন তিনি অসুস্থ হয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় চিকিত্সাধীন আছেন। পরে তার স্ত্রী কর্মচারীদের পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেন।
এদিকে কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া শুরু করেছেন।
আচ্ছা, এসব ঘটনার পেছনে সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার কোন কারণ আছে কি? এমনতো হতে পারে, তিনি শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ ভাবে পত্রিকা বের করার কথা বলেছিলেন বলে তার পেছনের হাতগুলো সব গুটিয়ে গেছে!