নতুন বছর। পুরনো বছরের অনেক অসমাপ্ত কাজের উপর চেয়ে বসলো নতুন বছরের ধাক্কা। স্বাভাবিক ভাবেই বাস্তবতার মুখোমুখি। বন্ধুর সাথে যোগাযোগ কমে গেল। কিন্তু যেখানে সেল ফোনে তার নাম্বারটা ডায়াল করতে মাত্র দুইটা বাটন চাপা লাগে বা কর্মব্যস্ততার মাঝেও ইমেইল-মেসেঞ্জারের এই ছোট্ট দুনিয়াটায় খোঁজ-খবর না নেয়াটা এক ধরনের অপরাধ বলেই মনে হয়। এ অপরাধ বোধটা মাঝে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
আর্কাইভঃ February, 2007
দু:খগ্রাসী নীলা পাথরে
জমাট না বলা কথা
ফসিলের বুকে দেখি তার ক্ষত চিহ্ন
কলম-কামান ছড়ালো বারুদ
কথা-সৈনিক
রৌদ্রময় রাজপথে খুলেছে রুদ্ধদ্বার
মৃত্যুর সাহস
ওরা আজ বলবেই !!!
পায়ে পায়ে ধ্বণি শব্দের ভিড় , মৌণ মিছিল
জীবন-প্রচ্ছদপটে সুবিন্যস্ত কারুময় বাক্য
কাহিনীর শেষ স্তবক ব্যবচ্ছেদ হবে আজ-ই
পতাকা উড়ছে অবিরাম বুকে ওই
হাতছানি দেয় সাহসী প্রত্যয়
সাহস ফুটায় মুখে কথার খৈ
একবারও যেন না হয় -
উচ্চারণ; বি-জাতীয় শব্দ
বিদেশী সুরের গান
আপন সুরে নিজের বোলে বলবো;
বলবে ওরাও -
জানবে শিখবে দেখবে বিশ্ব চেয়ে
বাঙালীর টান কতখানি দৃঢ়
মাতৃভাষা বাংলাতে
অনেক দিন পর যাচ্ছি বাড়ি
মা’র কাছে
পরনে বর্ণমালার শাড়ি
লাল পেড়ে
আলতা পায়ে রেশমি চুড়ি হাতে
কপালে টিপ কৃষ্ণচূড়ার -
টুকটুকে
কালো পাড় রঙ মিশে গেছে আজ
আকাশ মেঘে
বৃষ্টি ছুঁবে বলে
বৃ . .ষ্ . . টি . .
সে কি বৃষ্টি !
জবুথবু মেঘ জড়োসড়ো হয়ে
মুষলধারে বৃষ্টি
আর নয় শোক নয় বিষাদ আর
শহীদদের ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
আজও ফেব্রুয়ারীর তরল শিশিরে
নিরব অভিমান ঝরে
ভাষা শহীদের
অজস্র ফুলের ভীড়ে ফাগুনে
লুকিয়ে ওরা দেখে লেবাছ -
পাল্টানোর সাথে কেমন
পাল্টায় খোলস
পেন্সিল-হিল আর বুট-স্যু খুলে বেরিয়ে আসে নগ্ন পা
আলতা রাঙানো পদ্ম পা’য় ঢেকে যায়
দাম্ভিক চলন
বিদেশী সৌরভে ভারী বাতাস চাপা পরে
পুষপ স্তবকের ঘ্রাণে
কৃষ্ণচূড়া আর পলাশ-শিমূল ছুঁয়ে শপথের ভাণ করে আবার
মিশে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তুমি এলে…
বাজবে সানাই, জ্বলবে ধূপ; বাসনাই আগর
আতশবাজি পুড়বে সে রাত রাশি-রাশি
তুমি এলে. . .
গোলাপদানি উজার হবে
বিলাবে সুবাস
চন্দন গতর
তুমি এলে. . .
ভুলবে গোলাপ কাঁটার যাতনা
মুঠি-মুঠি দল নিংড়ে বেরুবে-
তোমার চরণ ধোওয়ার আতর
তুমি এলে. . .
চাঁদোয়া খাটাবে সুনীল আকাশ
জ্বালবে পিদিম নক্ষত্র রাজি
তুমি এলে. . .!
এইসব ভালোবাসা-বাসির ভীড়ে
তোমরা যখন মিশে যাও চন্দ্রীমা -
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
রমনা চত্তরে
অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বসে যুগল যখন
মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ভাঁজে হাতে রাখে হাত
আমি তখনও তোমাকে ‘ভালবাসি’ বলিনা
অপূর্ব এ শব্দটিকে লালন করি প্রাণের স্পন্দনের যোজনে
‘ভালবাসা’ নামের অদৃশ্য ছুড়িতে করিনা খুন;
আমি খুনী হতে চাইনা বলে
নতজানু বৃষ্টির শাড়ি টিনের কুচির পর
নক্ষত্রের রুপোলী বোতাম ঢেকে গেছে
কালো মেঘের চাদরে
জলের বিছানে আরমোড়া ভাঙা
পাখালির ঠোঁটে-ঠোঁট
শব্দে বিহ্বল জীবন-জোয়ার চারিদিক
তার ঢেউ এসে পাখিদের ঠোঁটে লাগছে
তুমি কি ঘুমিয়ে রয়েছ এই রাতে -
ডানাহীন?
এখানে অরণ্য গড়ে উঠুক
জন্মাক লতা-পাতা-গুল্ম-ঘাস,
বৃক্ষরা বেড়ে গড়ে তুলুক
সবুজ বনানী
অ-প্রিয় শব্দরা চলে যাক
সুদূর নির্বাসন
লোকালয় ছেড়ে হেঁটে চলি চলো
ছায়া-ঢাকা নির্জন কোনও পথ
পায়ের ধুলোয় ছুটে চলুক
কালো ঘোড়াদের খুর
সংকত দিয়ে যাক
ঝরা পাতার মর্মর
না-বলা-কথা বলার সময় এখনই
চলোনা মুখর হই তুমি-আমি
মুখো-মুখি বসি চলো তিতাসের পাড়
উত্কর্ণ হয়ে আছি
শুনিতে তোমার -
অমীয় সেই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
গুণ টানা নৌকোর গতিতে
কেন দাও স্মৃতির -
হ্যাঁচকা টানা যতি
চেনা ঘ্রাণ খোঁজ কোন সে মৌতাতে?
কার দেয়া ফুলে এই, পাষাণ আরতি!
কেন তুমি স্থির নও আজ-ও
নও ব্রতী; অ-চঞ্চল ধ্যাণে
হারিয়েছ যে, কেন খোঁজ তারে?
তার পাণে কেন হয় চঞ্চল মতি
তোমাতে উন্মূখ যার প্রাণ-নিধি
দু-হাত বাড়িয়ে তাকে নাওনা কেন বু্কে?
যা কিছু পেলেনা, ছিলোনা তোমার হয়ে তা
মিছেই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
