লিখেছেনঃ santwana

দেবীমা

বড় বাড়ির বারান্দাতে প্রদীপ জ্বলে কত দূরের থেকে দ্যাখাচ্ছে ঠিক তারার মালার মত। বড়বাড়ির বৌ য্যানমা লক্ষ্মী প্রতীমা, ছেলে কোলে দাঁড়িয়ে আছে, আয়মা দেখে যা। ঝলমলে ওর পোষাক-আসাক, মুখ ভরা ওর হাসি, তোর কেনমা ছেঁড়া কাপড় কত দিনের বাসী। চলনা মা যাই ভোজ হচ্ছে, পেট ভ’রে খাই গিয়ে। নারে খোকা ভয় হয় রে, ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

নেমন্তন্ন

পরশু আমার বাড়ি এস মেয়ের আমার বিয়ে, আসবে কিন্তু খালি হাতে উপহার না নিয়ে। আশীর্ব্বাদ আর ভালোবাসা এটাই প্রার্থনীয় , নেহাত যদি ইচ্ছা করে কিছু একটা দিও। সোনার দাম তো অনেক চড়া, গয়না নাইবা দিলে, আজকাল তো অল্পদামেই অনেক কিছু মেলে। মেয়ের পিসী শুনলোনাতো হার কিনেছে মোটা, বিজনবাবু শুনছি নাকি দেবেন একটা গোটা। গোটা মানে গোটের মালা দাম ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

বুড়োর হুড়ো

আমাদের অফিসেতে কাজ করে এক বুড়ো, কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা দিতে জানেন হুড়ো। পিয়নটাকে কেবল ছোটান ‘কিনে আনরে পান’। যখনই কেউ ছাড়বে ধুঁয়ো দেবেন একটা টান। ফাইল যদি টেবিলে যায় দেবেন একটা তাড়া - ‘পিছনেতে লাগছেনাকি কেউ কিম্বা কারা? অফিসএতে আসছি বলে কাজ করতেও হবে, এমন কথা এই বয়সে কে শুনেছে কবে। চিথি যদি লিখতে হবে লেখনা রে ভাই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

হরতাল

এই শম্ভু চললি কোথায় আজ তো সবই বন্ধ  তোকে দেখে মনে আমার লাগছে কেমন ধন্ধ বলেছিনা কালকে রাতে আজ হরতাল ভাইরে তবু কেন ছাতা হাতে যাস তুই বাইরে ? শীত পরেছে লেপ কাঁথাটা চাপিয়ে দিয়ে গায়েতে আয়না খাটে শুয়ে কাটাই আমরা দুটি ভায়েতে । দোকান বাজার বন্ধ যে আজ বাসের চাকা ঘুরবেনা , আজ সকালে কেউতো রে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

ব্যাকরণ

পন্ডিত ডেকে বলে কি লিখেছ কবিতা সেখালাম এত কিছু ভুলে গে লে সবই তা ! এখানে কমা , সেখানে দাঁডি এবারে সেমিকোলন দাও । তোমাকে ক্ষমা কি করে করি , আমাকে জিনি ভোলেন যাও, তার নাকেতে তাড়াতাড়ি মস্ত বড় দড়ি দাও । অর্থহীন শব্দ কথা, শব্দহীন অর্থ যত , এক হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে পাকাও কেন ইচ্ছা মত ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]