এই মুহুর্তে আছি হালকা-পাতলা। দুদিন আগে একটা স্বপ্ন দেখেছি। এত পরিষ্কার আরে এত বাস্তব বলে মনে হয়েছিল যে ঘুম ভেঙে গেলে কান্না পেয়েছিল। সাধারণত ঈশ্বরকে বিরক্ত করি না। কিন্তু সেদিন ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা করেছিলাম- শুধু এই স্বপ্নটা যদি সত্যি হয় তাহলে দুনিয়ায় আর কোন কিছু চাইনা। স্বপ্নটার কথা মনে হলেই এক ধরনের “সুখের মত ব্যথা” অনুভব করছি। কিন্তু সত্যিকার বাস্তবতা…জানিনা কি হবে!
যাহোক, ইচ্ছে করলেওতো অনেক কিছু হাতের কাছে থাকে না। আর সব নিয়ে যদি চলাফেরা করতে হয় তো মাথার বোঝাটাই শুধু ভারী হয়।
পছন্দের গানের একটা সিডি করেছিলাম। জানিনার আমার সুরের সাথে কার সুর মিলেছিল… কেউ সিডিটা নিয়ে গিয়েছে। জানি আর যেই হোক কিন্তু “সে” নয়। কি করে হবে! “আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে/ সাত-সমুদ্র তের নদীর পারে…” তাই মেজাজটা আবার একটু খারাপ।


আজ মনটা কেমন?
”সে” কেমন?
মনের খবর রাখা ইদানিং বাদ। দেখলাম মনের খবর নিতে গেলে মনটা কেমন যেন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তাই একে আর বিরক্ত করছি না।
আর “সে”! সেতো যোজন যোজন দূর। আর আমার থেকে দূরে থাকলেই যে সবাই ভালো থাকে। “যেখানে শুধুই আলো/ যেখানে শুধুই ভালো/ আমি যে মন্দ করি সবই তা…” বছরের পর বছর দেখা নাই, কথা নাই, বিরক্ত করছি না… ভালো তো থাকবেই।
স্বার্থপর মনটা মাঝে মাঝে বেঁকে বসে। ‘সে যেন আজ সুখেই থাকে’ তার সুখ কামনা না করে ভাবে ‘সে যেন আজো একা থাকে’। “… তুমি হইলে প্রাণ যমুনা রাধে আমি হব নাইয়া…” আশার যমুনায় আশার ভেলাই এখন একমাত্র সম্বল। জানিনা আর কতদিন। তবে সত্যি কথা বলতে কি, এখন আর ভাসতে নয়, ডূবতে ইচ্ছে করছে…”তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে…”
আপনার সাথে কথা বলতে মন চাইছে। চাট করতে হলে জানাবেন।
আপনার সাথে চাট করলে ভালো কবিতা লেখতে পারব।
আপেক্ষা করব।
কবি সাহেব, ব্যাপারটা বুঝলাম না তো! ভালো কবিতা লেখার সাথে চাট করার কি সম্পর্ক!
দাঁড়ান একটা নতুন পোষ্ট করি…