মায়া দিয়ে লেখা

অনন্তের দিক থেকে যাত্রা শুরু করে ফের ক্রমশ অনন্তে মিশে যাওয়ার মধ্যিখানে কেবল মায়াই সত্য শৈশব ফেলে কৈশোরে যাই, মায়া থাকে কৈশোর ফেলে প্রৌঢ়ত্বে, মায়া প্রৌঢ়ত্ব থেকে বার্ধক্যে, সেখানেও মায়া মায়াজন্ম এ জগতে অবিরাম ঘটেই চলেছে সংসার ভেঙে যায়, থাকে মায়া সম্পর্কে ফাটল ধরে, ভেঙে যায়, মায়া রয়ে যায় স্বজন হারাই, মায়া এসে সামনে দাঁড়ায় গ্রাম ছেড়ে আমরা শহরে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

মহৎ কবিতা

মহৎ কবিতাগুলো আমাদের সকরুণ শত্রুতার মধ্যে নেই ওরা থাকে বড়োজোর স্নিগ্ধতার সংঘাতে আর যাহোক যেখানে রক্ত নেই মানুষে-মানুষে, মানুষে-প্রাণীতে প্রাণীতে-প্রাণীতে, প্রাণীতে-উদ্ভিদে উদ্ভিদে-উদ্ভিদে, উদ্ভিদে-প্রাণীতে এমনকি জড়ে-জীবে যেখানে রয়েছে সখ্যভাব স্নিগ্ধতা তো সেখানেই ফলে সেখানেই মহৎ কবিতারা থাকে আমাদের একটা জীবন সতত ফুরিয়ে যাচ্ছে শত্রুতায় হায়, আমাদের কবিতা কোথায় মহৎ কবিতা

বাঁশফুলের কাহিনি

কেন ফুটলি রে বাঁশফুল কেন ইঁদুরবন্যা হলো আমাদের জুমযজ্ঞ ঘিরে শস্য গেল গেল ঘর-গেরস্থালি সব বস্ত্রশস্ত্র বইপত্র জমানো সঞ্চয়সহ সবকিছু চাষ অধিকার গেল পাহাড়ের থেকে ফুটলি রে যদি এতদিন পরে বাঁশফুল অভাব আনলি কেন ডেকে

মডারেটরগণ একটু ব্যাখ্যা দেবেন কি?

আপনারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আমার ব্লগটি পুরানো এভারগ্রিনবাংলা থেকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করেছেন দেখে আমি খুশি। তবে একজন ব্লগার হিসেবে এখানে আমি কন্টিনিউ করব কি করব না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ব্লগটিকে কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখতে চাই। একেবারেই নিঃশর্ত কোনো ওয়েব ফোরাম হয়ত অসম্ভব, সে বিবেচনায় আপনাদের শর্তাবলি মেনে চলতে আমার কোনো আপত্তি নেই। ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

ভয়বাহার

ভয় এক অনন্ত অনুগ, রূপের সওদা সব বয়ে নিয়ে ছায়ারূপ গৃহান্তরে ফেরে, সবকটি রুপার খিলান সোনার সিন্দুক তার আপনাধিকারে, আশ্চর্য চাবি নিয়ে অহোরাত্র মাতাল ভ্রমণ, গ্রাম এবং সুদূরের বন দুর্গম, জানালায় ফুরসত পেলে সে, রমণীয় যেকোনো দৃশ্যগান দু’চোখে কেড়ে নিতে ছাড়ে না মৃত্যুর শিয়রে ছিল এক আঁজলা পানি, সব তার শুষে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

এহেন মূর্ছিত বেদনায়

মাকড়সার দেহের মতো খুবলে দিতে চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছে তীরতীব্র লেলিহান জেদ, নোখের আঁচড়ে বোধের বাটিক করা গাত্রাবরণী জুড়ে লেগে যাচ্ছে সার সার ঈর্ষার দাগ সমূহ শঙ্কায় বিশদ লাঞ্ছনা থেকে বেঁচে যেতে, ভেষজ পদ্ধতি খুঁজে পাহাড়ের দিকে হিজরত করেছি বহুবার, পথে যে কটি বাঁদরের সাথে দেখা, সকলে বলেছে যে গাছের পৃথিবীতে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

আহা এই সাঁড়াশি জীবন

‘ও’কার সংক্রান্ত জটিলতা শীত ঋতুতেও যদি দেহে ঘাম আনে, মেনে নিতে হয়, এ জট এমনি কুটিল জট, ছাড়াতে ছাড়াতে শত ফোস্কা পড়ে হাতে, বডিমাস্ক পরেও এর পারি নি দহন জ্বালার থেকে বেঁচে যেতে দেহে বরফ জড়িয়ে থাকে যারা, মনোত্তাপের রেখা হিমাঙ্কেরও নিচে যাদের, তারা শুধু মুক্ত এই অকারণ জটিলতা থেকে, বরফবিকার ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

কথারণ

সাদা পাতার সাথে বন্ধুত্ব যত গাঢ় হয় হাতে ও পাতে তত কালি লাগে, এহেন বন্ধুতার আশায় সাদা পাতা সামনে নিয়ে বসে থেকে কাটে মহাকাল, আঙুলে আঙুলে জমে প্রসব বেদনা স্ফূর্তিগুলো কোনখানে যে থাকে, ঘুরিয়ে মুখ অন্য কোনোদিকে, আমি তারে খুঁজে খুঁজে হন্যে হয়ে রণেভঙ্গ দেই, তবে ঠিক পালাবার কালে যার সাথে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

সেতু

একই ভেলায় চড়ে পাড়ান্তরে যাচ্ছি আমি আর ইরা, ইরাবতী– ওপারে মৃত্যুর তীর, এলিয়ে পড়া কেশের বহুলতা ঢেকে থাকা মরণসুষমা, তার মহিমাকে ছুঁতে যাবার সঘন আর্তি কণ্ঠে মেখে আমি বলি– পারাপারলঘু এই দিন ও রাত্রির চিত আনন্দ কল্লোলগুলো গায়ে মেখে যাব, তানপুরাটা আয়েশে ধরে রেখো তুমি ঈষৎ হেলিয়ে, নিহিত আঙুল এসে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

মোহিনীবিলাপগুলো

বদ্ধজল পেছনে রেখে স্রোতস্বিনীর দিকে হাঁটা দিলে মুখ ভার করে থাকে যারা, তাদের জন্যে কোনো মায়া আর অবশিষ্ট নেই বলে পেছনে তাকানোটুকু ভুলে গেছি, এত যে রতিবাঁক ঠাক ও ঠমক যুবা ঘূর্ণি অকূলে, লাফিয়ে ওঠা স্রোতের লতানো দেহে খেলে যাওয়া রৌদ্রশৃঙ্গারগুলো চিকচিক করে ওঠে, শিকলের ঝনৎকার শুনে শুনে কত আর ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]