আমি যাবনাতো সঙ্গে
তবু ফিরব সাথে সাথে।
ফিরব দিনে ফিরব রাতে
সকাল-দুপুর সাঁঝ-প্রভাতে,
দিবা স্বপ্ন হয়ে আমি
ফিরব আঁখির পাতে ।
আমি দেবনাতো ধরা
তবু ফিরব হাতে হাতে ।
লেখা হয়ে দেখা দেব
সবুজ পত্রিকাতে ।
আমি হাসি হয়ে পরশ করে যাব
-তোমায়-
বাতাস হয়ে করব আলিঙ্গন,
ঈর্ষা হয়ে জ্বলব
যদি দেখি কোনো সতীন আছি সাথে ।
আমি চাইবনাতো কিছু-
তবু কান্না হয়ে পরব ঝরে
যদি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
লেখকের বিভাগ
দুঃখ পেয়েছে বুদ্ধবাবু- শান্তিকে আনো ধরে।
এখোনো তোমরা অধোমুখ কেন ?
নাম করো জোরে জোরে ।
জয় বুদ্ধ, জয় বিমান, জয় সিপিএম রাজ ।
লাল পতাকার হাওয়া দাও আর
পরাও মাথায় তাজ ।
তোমার বাড়িটা পুড়ে গেছে আর
তোমার ছেলেটা মৃত ।
তাতে কি হয়েছে, শান্তি আগুনে
ওরা যে গব্য ঘৃত ।
নাতির রক্তে ভেজা এই মাটি
মায়ের রক্তে ঘর-
মেয়েকে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
পিউ, এখন যদি কেউ তোমাকে ডাকে
ঐ-দূরে, ঐ তাল-তমালের ফাঁকে ফাঁকে,
ঘুঘু ডাকা দুপুর বেলা
ছায়া ফেলা দিঘীর মতন
তোমার চোখে তাকিয়ে বলে-
আর নয়, আর নয় এখানে থাকা
এই শহর মেকী সভ্যতাতে ঢাকা,
আমরা যাই ফিরে সেই বন্য প্রেমের নগ্নতাকে ঘিরে
তোমার সহজ সরল হৃদয় মন্দিরে
সেইখানে সেই পূর্বদিশায় ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
ছবি এঁকে রেখে গেছে কোনো আধুনিক ।
কেউ বলে নীল আকাশে সূর্য অস্ত যায়
করো মতে সূর্যোদয় নদীকিনাড়ায়
নয় নয় ঠিক, সমঝদার বলে এতো
প্রতীক বিদ্রোহের।
মন বলে এ প্রকাশ শিল্পীর প্রেমের।
চিঠি লিখে রেখে গেছে কোনো মনভোলা।
কেউ বলে প্রেম পত্র প্রেমিকার তরে
কারো মতে ষরযন্ত্র আসর্তক ঘরে ।
নয় নয় ঠিক- সমঝদার বলে
এ প্রতীক নষ্ট সমাজের ।
মন ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
কপালে ও কিসের দাগ তোমার
একি আমার চোখের ভুল!
মদন-ভষ্ম লাগল যখন চোখে আমর
সামনে কেন এলে তুমি ,
হায় একি ভুল !
কালো চোখের তারায় তোমার
রাতের স্বপ্ন কার তরে ?
হায় রে ও রূপ দেখাল কে
হৃদয় কেন দিলাম তোমায় ভুল করে ।
ভুল করে কি দেখেছিলাম
ভালবাসার ছায়ায় ঘণ তৃষার আগুন ঐ চোখে?
ভুল করে কি ছড়িয়ে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
বহুদূর, দূরান্তরে, মরূভুমি, বনছায়ে, সাগরে বা আকাশের কোলে
আছ তুমি আমার হদয় জুড়ে ভালবাসা হয়ে.
গোলাপের গন্ধে তুমি, বেল, চাপা, যুঁই
রক্ত ঝরা বেদনাতে- কাটা যদি ছুঁই.
পশ্চিম আকাশে ঐ রক্তিম শযায়
তোমার ঈশারা যেন
জীবন সন্ধায়.
এখনি ডেকনা বন্ধু থাকি কিছুখন-
এপাড়ে জীবন.
তোমায় প্রেমের কথা যতবার বলি
হাস মুখ টিপে.
জান তুমি আস যদি কাছে, মিলন ইচ্ছায়
বিপরীতে মন যায়.
প্রবল পুরুস ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তিন্তি তিতান তিন্তি তিতান
তিন্তি তিতান তিন্নি-
ধাঙ্কা নাকুড় নাকুড় নাকুড়
নাচ্ছে দ্যাখ গিন্নি
নাচ্ছে দ্যাখ পুরুত ঠাকুর
নাচ্ছে দ্যাখ ঢাকিটা
নাচ্ছে দ্যাখ বাবা-মশাই
আর কে রইল বাকিটা!
আর বাকি নেই আর বাকি নেই
আজকে নাচে সব্বাই।
নাচ্ছে কেন সবাই মিলে
ভাবছ বুঝি বসে তাই !
ভেবে ভেবে কুল পাবেনা
এটা নাচের দেশ যে।
নাচে নেচে চলে সবাই
দেখতে লাগে বেশ যে।
ভোটের বাজনা বেজে গেছে
প্রার্থীরা ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তুমিকি শুনতে পাচ্ছনা,
তোমরা পাচ্ছনাকি টের
বাতাসীর দীর্ঘশ্বাস;
তার উত্তপ্ত নিঃশ্বাস
শুধুই কি ওড়াবে ছাই নিভে যাওয়া চিতার আগুনে.
তোমরা শোনোনি কেউ
সমুদ্র গর্জন !
উথাল পাথাল ঢেঊ
বুকের ভিতর
কোনোদিন মরেনি কি বৃথা আক্রশে কাল গুনে গুনে !
সন্জীবনীসুধা মাতাল লম্পটের হাতে
করেছ কি পাণ !
আকন্ঠ ডুবিয়ে রেখে পাঁকে
পেরেছ কি বাঁচাতে আত্মাকে !
আমিতো শুনেছি তবু জীবনের গান
তার সরল বিশ্বাসে, তার ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
রাজ্য পুলিশ কেমন করে শান্তি রাখে ধরে,
পুলিশরে লেজ বাঁধা যে আজ সিপিএমের ঘরে.
পার্টির কথায় নাচে পুলিশ, পার্টির কথায় ছোটে.
পার্টির কেডার মারলে চাঁটি, ঠোঁট ফুলিয়ে ওঠে.
তালপাতার সেপাই এরা, কেউবা কুমড়োপটাস.
হাতে বিড়ি, পায়ে চটি, চলে ফটাস ফটাস.
ঘুসের টাকায় ফুলছে ভাল এদের টাকার থলি.
গরীব মানুষ হচ্ছে শুধু এদের হাতে বলি.
কেডার করে ধর্ষণ, আর ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
সাবধান সাবধান
মূর্খমন্ত্রী ইদিকে আসছেন।
ফন্দীগ্রামে শুনছি নাকি শান্তি ফিরেছে এগারো মাস পরে ।
নতুন একটা সূর্য ও নাকি উদয় হয়েছে
সঙ্গে লাল পতাকা উড়ছে ঘরে ঘরে।
[আমাদের স্বগোতক্তি ]
ফন্দীগ্রাম স্মশান হয়েছে, প্রাণের সঙ্গে মান,
সবই তো হয়েছে বলি।
পোড়া ঘর আছে, মানুষ তো নেই
অশান্তিটা কেই বা করতে পারে !
[মূর্খমন্ত্রী]
ঘরের মানুষ ঘরেতে ফিরেছে, তবু বল ঘর খালি।
তোমাদের ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
