ও মামাগো শুনতে পাচ্ছো, গাছ কাটছে ভুলো!
গাছ কাটছে কাটুকনা সে, কানেতে দাও তুলো ।
কী যে বলো, গাছ কাটাট বেআইনী তা জানো ?
তুইতো জানিস বলনা গিয়ে গোল করছিস কেন ।
য়্যায় ভুলো, আয় নেমে আয় তো , গাছ কাটছিস কেন ?
বেশ করেছি আমার ইচ্ছা বাবার গাছ যেন ।
তবেরে ব্যাটা বাপ তুলেছিস ডাকবনাকি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
লেখকের বিভাগ
মামদো বলে শাঁকচ্চূন্নী এ তোর কেমন ঢঙ,
শণের নুড়ি চুলেতে তোর ঘোর কমলা রঙ।
বেগুন ঠোঁটে ফাহুন হাসি গন্ধ মাখিস পচা বাসী
খ্যাঁকরাকাঠি চেহারা তে সাদা খড়ির টান।
তোকে দেখে শাঁকচ্চূন্নী নাচে আমার প্রাণ।
আয়না আমার তেঁতুল গাছে,
ভোজ হবে আজ পচা মাছে
মন করে আনচান,
ধরনা রে ও শাঁকচ্চূন্নী ক্যানক্যানে তোর গান ।
আমি থাকি শ্যাওড়া গাছে, শাঁকচ্চূন্নী ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
রশিদমিঞা রিক্সা চালায় সকাল দুপুর রাত
তাইতে তাদের জোটে কাপড় তাইতে জোটে ভাত ।
রশিদমিঞার ছোট্ট ছেলে রমজান তার নাম
বায়না ধরে পরবে সে যে করবে না এই কাম ।
রশিদ গিয়ে বল্লে বাবু পড়বে আমার ছেলে ,
ভর্ত্তি করে নেবে বল কত রূপয় দিলে ?
হেডমাষ্টা বলে কিছুই দিতে হবে নাকো
ডোনেশনের বাক্সে কেবল হাজারখানেক রাখো ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
নন্দীগ্রাম একটা নাম রক্ত দিয়ে লেখা -
কৃষক এখানে ঝড়ায় রক্ত বন্দুকে টানে রেখা ।
রেখার দুধারে ভারাটে গুণ্ডা মরে মারে আসে তেড়ে ,
মেয়ে, শিশু, বুড়ো ভয়ে কেঁপে মরে লাল পতাকার ঘেরে ।
থানার দারোগা, সৈন্য সমেত দ্যাখে জুল জুল চোখে -
কেমনে চলেছে হত্যালীলাটা , কেমনে মরছে লোকে ।
কৃষকের হাতে বন্দুক ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
বড় বাড়ির বারান্দাতে প্রদীপ জ্বলে কত দূরের থেকে দ্যাখাচ্ছে ঠিক তারার মালার মত।
বড়বাড়ির বৌ য্যানমা লক্ষ্মী প্রতীমা, ছেলে কোলে দাঁড়িয়ে আছে, আয়মা দেখে যা।
ঝলমলে ওর পোষাক-আসাক, মুখ ভরা ওর হাসি, তোর কেনমা ছেঁড়া কাপড় কত দিনের বাসী।
চলনা মা যাই ভোজ হচ্ছে, পেট ভ’রে খাই গিয়ে। নারে খোকা ভয় হয় রে, ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
পরশু আমার বাড়ি এস মেয়ের আমার বিয়ে,
আসবে কিন্তু খালি হাতে উপহার না নিয়ে।
আশীর্ব্বাদ আর ভালোবাসা এটাই প্রার্থনীয় ,
নেহাত যদি ইচ্ছা করে কিছু একটা দিও।
সোনার দাম তো অনেক চড়া, গয়না নাইবা দিলে,
আজকাল তো অল্পদামেই অনেক কিছু মেলে।
মেয়ের পিসী শুনলোনাতো হার কিনেছে মোটা,
বিজনবাবু শুনছি নাকি দেবেন একটা গোটা।
গোটা মানে গোটের মালা দাম ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
আমাদের অফিসেতে কাজ করে এক বুড়ো,
কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা দিতে জানেন হুড়ো।
পিয়নটাকে কেবল ছোটান ‘কিনে আনরে পান’।
যখনই কেউ ছাড়বে ধুঁয়ো দেবেন একটা টান।
ফাইল যদি টেবিলে যায় দেবেন একটা তাড়া -
‘পিছনেতে লাগছেনাকি কেউ কিম্বা কারা?
অফিসএতে আসছি বলে কাজ করতেও হবে,
এমন কথা এই বয়সে কে শুনেছে কবে।
চিথি যদি লিখতে হবে লেখনা রে ভাই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
এই শম্ভু চললি কোথায় আজ তো সবই বন্ধ
তোকে দেখে মনে আমার লাগছে কেমন ধন্ধ
বলেছিনা কালকে রাতে আজ হরতাল ভাইরে
তবু কেন ছাতা হাতে যাস তুই বাইরে ?
শীত পরেছে লেপ কাঁথাটা চাপিয়ে দিয়ে গায়েতে
আয়না খাটে শুয়ে কাটাই আমরা দুটি ভায়েতে ।
দোকান বাজার বন্ধ যে আজ বাসের চাকা ঘুরবেনা ,
আজ সকালে কেউতো রে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
পন্ডিত ডেকে বলে কি লিখেছ কবিতা
সেখালাম এত কিছু ভুলে গে লে সবই তা !
এখানে কমা , সেখানে দাঁডি এবারে সেমিকোলন দাও ।
তোমাকে ক্ষমা কি করে করি , আমাকে জিনি ভোলেন যাও,
তার নাকেতে তাড়াতাড়ি মস্ত বড় দড়ি দাও ।
অর্থহীন শব্দ কথা, শব্দহীন অর্থ যত ,
এক হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে পাকাও কেন ইচ্ছা মত ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
