বৃষ্টিস্নাত জুঁই

ফিরে তাকালে , বসলে নিবিড় পাশ-টি ঘেষে এসে টলটলে চোখ কথা বলে ওঠে-             'কেমন আছিস?' আমি যে ভাল নেই, তা কি জানা নেই? আমি যে ভাল নেই ! আমি যে একেবারেই ভাল নেই ! তাকিয়ে আছ , তাকিয়েই আছ ... শীতল হতে চাইছো খুব ঠান্ডা হাওয়ার ঔয়ৎদঢ পেয়ে এখন তুমি ও কাঁদছো অঝোরে , অশ্রু শুকোনো সবাক চোখ দু'টি এখন, বৃষ্টিস্নাত জুঁই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

মোহ

তোমার দৃষ্টিতে ঘোর ! ঘুণ পোকা ঢুকে যাচ্ছে, চোখ থেকে ক্রমশ বুকে গলা বেয়ে নেমে আসতেই সতর্ক খাকারি দিলে নিজেকে পোকাটি নরম; স্থির কিছুক্ষন অপলক চোখে তাকালে আবার তার দিকে গাল দুঞ্চটো রক্তাভ লাল, মৃদু আগুনের আঁচ বেলাভূমে লেপ্টে আছে চোখের পাতা সীমান্ত দিচ্ছে পাড়ি সব সজারুর কাঁটা তুমি আর নেই এখন তোমাতে নোনা ঢেউ এ ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

বিম্বিত

সুঁচালো গম্বূজ শীর্ষ । কম্পিত আকাশ- নির্মলার ছুড়ে দিলো আচ্ছ্বাদন খুলে হঠাৎ কী খেয়ালে উদ্যত চুম্বন ঠোঁটে, উন্মিলিত মধুদ্রোণ ফেনায়িত জোয়ার, প্রগলভ স্রোত আয়নায় কে দাঁড়িয়ে ! অদূরে কোথাও বাজে রেবেকা চৌধুরীর গান মূর্হূ-মূর্হূ করতালি, মুখর শ্রোতার প্রাণ ঋজু দুঞ্চখানি পা; জানে না ছলনা চকিতে দাঁড়ায় ঘুরে, প্রতিবিম্ব ছেড়ে নারীর কি কখনও মন থাকতে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

রুমালের ভাঁজে

তোমার রুমালে কোন এক বিকেলে অশ্রু জমা রেখেছে সে, ঝিনুকের খোলে গুঁজে নিয়েছো তা একান্ত বিশ্বাসে নিবিড় জড়িয়ে সেজেছে জ্ঞপ্রিয়াঞ্চ সাধনার্ঘ্য তার কাছে আসাকে আপন ভেবে ভুল করেছো সেই অশ্রু, সেই স্পর্শ মিথ্যে ছিল সব সত্য ছিল শুধু- তোমার বিশ্বাস আর ওই রুমালের ভাঁজ

বদলে যাওয়ার সুখ

আমার হাতের ছোঁয়া পেয়ে রক্ত-গোলাপ লাল হারায় গন্তব্যে ওড়ে যাওয়া পাখি দিক বদলে পিছু ফিরে চায় এই গোলাপের লাল , এই দিক হারা দিক একবার শুধু না হয় বলে দিক তাদের এমন বদলে যাওয়ায় কি-ই বা সুুখ খুঁজে তারা পায় ?

কবিতা: দেয়াশলাই যুবক

-দেয়াশলাই আছে ?      : ঘামে ভিজে গেছে -আগুন জ্বলবে কী করে তবে ?      : এঞ্চখানে আগুন আছে      স্পর্শ কর ,           জ্বলবে আগুন -যদি হাত যায় পুড়ে ?      : ডুবে যেও লবণ জলে তবে -এত জল মিলবে কোথায় ?      : এই তো এখানে তোমার দেহে             আমার নোনা নদী             আমার দেহে তোমার - এ যে সর্বনেশে কথা ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

কবিতা: ক্রিং . . .

একবারও বেজে ওঠলোনা সকাল থেকে অবিশ্রান্ত সময়ের ঘাম ঝরে প্রতীক্ষার সিঁড়ি বেয়ে কেবলই ওঠা-নামা                    ওঠা-নামা চিরুণি চালিয়ে চুলে থম্‌কে তাকানো ফের -                    টেলিফোনের দিকে কি এমন কাজ তার আজ ?        ভুলেই গেলো? অথচ         কতটা উন্মূখ হয়ে বসে -               যদি জানতে! সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যে তখন প্রায়, ক্রিং . . . কার ফোন? দূরাভাষের ওপাড়ে কে? সে কি? দৌড়ে ছুটে রিসিভার তুলে ,               'হ্যাঁলো ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

কবিতা: প্রতীক্ষায়

রাত এলেই হও স্পর্শ চিরুণি দূরের অচেনা উড়ো মেঘ হও দিনে আঙুলে চুলের ঘ্রাণ মেখে নিয়ে এঁকে দাও পথ সিঁথির সিঁদুরে আলতা ভেজানো পদ্ম পায়ে হেঁটে আসি - প্রিয়, গোধূলি মাড়ানো সাঁকো পথ ধরে ভাঙা সাঁকোর ওপাড়ে তুমি                  মেঘলা চাহণি আকুতি ভরা চোখ কি বলিতে যেন -                  প্রতীক্ষায় আছে

কবিতা: শুধু একবার

একবার দেখতো ডেকে শাদা পায়রাটি আসে কি না ছুটে ঝাপিয়ে তোমার বুকে শুধু ছুঁয়ে দিলে একবার দেখবে সমগ্র প্রকৃতি কেমন কাঁপছে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে

ঢং!

বেশ তো আছ ভুলে সাজানো বাগান তছ-নছ করে ফুলগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেবে না, নেবে ও না, ইস্‌ ভারি ইয়ে!