'তোমাকে ভাল লাগে' শুনতেই
মিটি-মিটি হাসে জোনাক-দ্যূতি
'ভালবাসি'বলতেই -
উছল পাহাড়ী ঝর্ণা
'তোমাকে চাই'বলে যদি কেউ
রঙধনুর ঘোমটা টানে লাজে
'কাছে এস' শুনে
দৌড়ে পালায় মায়া-হরিণী
'মেয়ে, তুমি আমার হবে'প্রশ্ন করতেই
কাশফুলের আল্তো ছোঁয়ায়
... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
লেখকের বিভাগ
(বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে)
ছড়ানো ছিটানো ভাঙা আয়নার কাঁচ
উদ্ধত সুঁচ, বরই কাঁটা, হাঙরের দাঁত
বিছানো কঙ্কর, পেতে রাখা বোম
বালির আড়াল
কোমল কুঁড়ির ভেঙে দিল ঘুম সূর্যাহ্বান
জঠরে সুপ্ত সদ্য সূর্য-ভ্রুণ
উগরে দিয়ে বিষ-লতা বিষ নীল বমন
নারী হয়ে উঠছে সে ক্রমশ
হায়েনার জিবে টসটসে ঝরে জল
কামনা নাচে ফুঁসিয়ে সাপের ফণা
বিষ্ঠা চাটা শুয়োরেরা হাঁকে সংগম হাঁক
দুর্মর আশা, ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
(বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে)
পাহাড়ের চোখে পাথর নুড়ির বৃষ্টি
কুড়োতে চাও কি তাকে?
আর কখনও জমবেনা মেঘ
অভিমানী ওই নীলের বাঁকে
ঝুলবে না বারান্দায় আর
ডুরে কাটা লাল -
হলুদ তাঁতের শাড়ি
বাতাসে উড়বে না চুল
ভাববে না চোখ মুদে
বিবর্ণ আকাশ সাজবে না আর সাত রঙে
ইন্দ্রধনু ব্যর্থ হবে রঙীন হাসি হেসে
এমন বৃষ্টিতে মেশে যদি ঝড়
নুড়িগুলো জমে পাথর হবে
কেবল-ই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
(বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে)
ভঙ্গুর তৈজস ভাঙে অচেনা আবেগে
ধাতব কবন্ধক দেয় অটুট বাঁধুণী
এমন বুনট চিঁড়ি
ক্যান বা চাও পেতে -
কাদার মাখানি
ক্যান যাও ভাসি -
বানের তোড়ে
দু:খগ্রাসী নীলা পাথরে
জমাট না বলা কথা
ফসিলের বুকে দেখি তার ক্ষত চিহ্ন
কলম-কামান ছড়ালো বারুদ
কথা-সৈনিক
রৌদ্রময় রাজপথে খুলেছে রুদ্ধদ্বার
মৃত্যুর সাহস
ওরা আজ বলবেই !!!
পায়ে পায়ে ধ্বণি শব্দের ভিড় , মৌণ মিছিল
জীবন-প্রচ্ছদপটে সুবিন্যস্ত কারুময় বাক্য
কাহিনীর শেষ স্তবক ব্যবচ্ছেদ হবে আজ-ই
পতাকা উড়ছে অবিরাম বুকে ওই
হাতছানি দেয় সাহসী প্রত্যয়
সাহস ফুটায় মুখে কথার খৈ
একবারও যেন না হয় -
উচ্চারণ; বি-জাতীয় শব্দ
বিদেশী সুরের গান
আপন সুরে নিজের বোলে বলবো;
বলবে ওরাও -
জানবে শিখবে দেখবে বিশ্ব চেয়ে
বাঙালীর টান কতখানি দৃঢ়
মাতৃভাষা বাংলাতে
অনেক দিন পর যাচ্ছি বাড়ি
মা’র কাছে
পরনে বর্ণমালার শাড়ি
লাল পেড়ে
আলতা পায়ে রেশমি চুড়ি হাতে
কপালে টিপ কৃষ্ণচূড়ার -
টুকটুকে
কালো পাড় রঙ মিশে গেছে আজ
আকাশ মেঘে
বৃষ্টি ছুঁবে বলে
বৃ . .ষ্ . . টি . .
সে কি বৃষ্টি !
জবুথবু মেঘ জড়োসড়ো হয়ে
মুষলধারে বৃষ্টি
আর নয় শোক নয় বিষাদ আর
শহীদদের ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
আজও ফেব্রুয়ারীর তরল শিশিরে
নিরব অভিমান ঝরে
ভাষা শহীদের
অজস্র ফুলের ভীড়ে ফাগুনে
লুকিয়ে ওরা দেখে লেবাছ -
পাল্টানোর সাথে কেমন
পাল্টায় খোলস
পেন্সিল-হিল আর বুট-স্যু খুলে বেরিয়ে আসে নগ্ন পা
আলতা রাঙানো পদ্ম পা’য় ঢেকে যায়
দাম্ভিক চলন
বিদেশী সৌরভে ভারী বাতাস চাপা পরে
পুষপ স্তবকের ঘ্রাণে
কৃষ্ণচূড়া আর পলাশ-শিমূল ছুঁয়ে শপথের ভাণ করে আবার
মিশে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তুমি এলে…
বাজবে সানাই, জ্বলবে ধূপ; বাসনাই আগর
আতশবাজি পুড়বে সে রাত রাশি-রাশি
তুমি এলে. . .
গোলাপদানি উজার হবে
বিলাবে সুবাস
চন্দন গতর
তুমি এলে. . .
ভুলবে গোলাপ কাঁটার যাতনা
মুঠি-মুঠি দল নিংড়ে বেরুবে-
তোমার চরণ ধোওয়ার আতর
তুমি এলে. . .
চাঁদোয়া খাটাবে সুনীল আকাশ
জ্বালবে পিদিম নক্ষত্র রাজি
তুমি এলে. . .!
এইসব ভালোবাসা-বাসির ভীড়ে
তোমরা যখন মিশে যাও চন্দ্রীমা -
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
রমনা চত্তরে
অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বসে যুগল যখন
মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ভাঁজে হাতে রাখে হাত
আমি তখনও তোমাকে ‘ভালবাসি’ বলিনা
অপূর্ব এ শব্দটিকে লালন করি প্রাণের স্পন্দনের যোজনে
‘ভালবাসা’ নামের অদৃশ্য ছুড়িতে করিনা খুন;
আমি খুনী হতে চাইনা বলে