এটি আমার প্রথম লেখা। এ রোজনামচা পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার রোজনামচা শুরু কোরছি।
এই মুহূর্তে জীবনানন্দ দাশের একটা কবিতা আমার তৃষ্ণানিবৃত্ত কোরলো। সেটি সবার সাথে ভাগাভাগি কোরে নেওয়া যাক না ক্যানো?
ইহাদেরি কানে / জীবনানন্দ দাশ
[কাব্যগ্রন্থ: মহাপৃথিবী]
একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে-- একবার বেদনার পানে অনেক কবিতা ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
বিষয়ঃ সাধারণ
ভয় এক অনন্ত অনুগ, রূপের সওদা সব বয়ে নিয়ে ছায়ারূপ গৃহান্তরে ফেরে, সবকটি রুপার খিলান সোনার সিন্দুক তার আপনাধিকারে, আশ্চর্য চাবি নিয়ে অহোরাত্র মাতাল ভ্রমণ, গ্রাম এবং সুদূরের বন দুর্গম, জানালায় ফুরসত পেলে সে, রমণীয় যেকোনো দৃশ্যগান দু’চোখে কেড়ে নিতে ছাড়ে না
মৃত্যুর শিয়রে ছিল এক আঁজলা পানি, সব তার শুষে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
মাকড়সার দেহের মতো খুবলে দিতে চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছে তীরতীব্র লেলিহান জেদ, নোখের আঁচড়ে বোধের বাটিক করা গাত্রাবরণী জুড়ে লেগে যাচ্ছে সার সার ঈর্ষার দাগ
সমূহ শঙ্কায় বিশদ লাঞ্ছনা থেকে বেঁচে যেতে, ভেষজ পদ্ধতি খুঁজে পাহাড়ের দিকে হিজরত করেছি বহুবার, পথে যে কটি বাঁদরের সাথে দেখা, সকলে বলেছে যে গাছের পৃথিবীতে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
‘ও’কার সংক্রান্ত জটিলতা শীত ঋতুতেও যদি দেহে ঘাম আনে, মেনে নিতে হয়, এ জট এমনি কুটিল জট, ছাড়াতে ছাড়াতে শত ফোস্কা পড়ে হাতে, বডিমাস্ক পরেও এর পারি নি দহন জ্বালার থেকে বেঁচে যেতে
দেহে বরফ জড়িয়ে থাকে যারা, মনোত্তাপের রেখা হিমাঙ্কেরও নিচে যাদের, তারা শুধু মুক্ত এই অকারণ জটিলতা থেকে, বরফবিকার ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
সাদা পাতার সাথে বন্ধুত্ব যত গাঢ় হয় হাতে ও পাতে তত কালি লাগে, এহেন বন্ধুতার আশায় সাদা পাতা সামনে নিয়ে বসে থেকে কাটে মহাকাল, আঙুলে আঙুলে জমে প্রসব বেদনা
স্ফূর্তিগুলো কোনখানে যে থাকে, ঘুরিয়ে মুখ অন্য কোনোদিকে, আমি তারে খুঁজে খুঁজে হন্যে হয়ে রণেভঙ্গ দেই, তবে ঠিক পালাবার কালে যার সাথে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
একই ভেলায় চড়ে পাড়ান্তরে যাচ্ছি আমি আর ইরা, ইরাবতী– ওপারে মৃত্যুর তীর, এলিয়ে পড়া কেশের বহুলতা ঢেকে থাকা মরণসুষমা, তার মহিমাকে ছুঁতে যাবার সঘন আর্তি কণ্ঠে মেখে আমি বলি– পারাপারলঘু এই দিন ও রাত্রির চিত আনন্দ কল্লোলগুলো গায়ে মেখে যাব, তানপুরাটা আয়েশে ধরে রেখো তুমি ঈষৎ হেলিয়ে, নিহিত আঙুল এসে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
বদ্ধজল পেছনে রেখে স্রোতস্বিনীর দিকে হাঁটা দিলে মুখ ভার করে থাকে যারা, তাদের জন্যে কোনো মায়া আর অবশিষ্ট নেই বলে পেছনে তাকানোটুকু ভুলে গেছি, এত যে রতিবাঁক ঠাক ও ঠমক যুবা ঘূর্ণি অকূলে, লাফিয়ে ওঠা স্রোতের লতানো দেহে খেলে যাওয়া রৌদ্রশৃঙ্গারগুলো চিকচিক করে ওঠে, শিকলের ঝনৎকার শুনে শুনে কত আর ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
এইসব পাথরপ্রবর আমি রাখব কোথায়, পরিসর ছোট হয়ে যদি আসে দিন দিন নিখিল বুকের, এইসব ক্ষতের বেদনা আমি ঘুচাব কেমনে, পাঁজরবাঁশিতে যদি বেজে চলে নিত্য হাহারব
নবীনা ইচ্ছেরা যেন ডুবিগাঁও, ভাসা– তার মেঠোপথ, উতলা বনের শিস, চতুষ্পাঠী বেলা
বগ্রহপুঞ্জে ক্রমে জাগিতেছে যতিবন, অবদমনের ঢের জলা
হাওয়া খেতে খেতে একযুগ অপেক্ষার পর বাহারি বৃষ্টিরাতে ফিরছি একাকী, নদীতে হাত নাড়ে আকাশের গাছে ফোটা সুকুমারী ফল, ও-আমার একাকাল যাপিত সময়, স্বপ্ন-প্রেম বিস্মৃতায়ন, আর খুঁজে পাওয়া নিজেকে নিজেই
ফিরছি ফেরা ভালো বলে, সাপ-ব্যাঙ সকলেই ফেরে এ-বিধ সংসারজালে
বোধকরি ওই পরাহ্ণউচ্ছ্বাসই ভালো ছিল গতায়ু যুগের, সাথে রাজ্যের যত অতীত, ঘুরেফিরে শোনা, চিড়িয়াখানার ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
হাত থেকে পড়ে ভেঙে যাচ্ছিল স্বাচ্ছন্দ্যখানি কাচের পাত্রের মতো, তার একখণ্ড তুলে এনে তোমার করতলে রাখি, কয়েকখণ্ড পকেটে পুরি ও পায়ে পায়ে রক্ত ঝরিয়ে অবশিষ্টের গায়ের উপর দিয়ে হেঁটে যাই বিষণ্ন বদনে
জেনে রাখ, বিষাদের বোঝা বয়ে যেতে বড়ো শহরের এক থেকে আরেক স্থানের দূরত্ব এত বেশি লাগে যে, হাঁটতে হাঁটতে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
