লিখেছেনঃ santwana

বুড়িমা

মাগো নীচে ঐ বুড়িমা ছেঁড়া কাপড় গায়, শুকনো মুখে একলা কেন বসেই আছে ঠায় ? ঠিক যেন মা ঠাম্মা আমার নিয়েসনা ডেকে, আমার ঘরে আমার কাছে থাকবে এখন থেকে । ঠাম্মা আমায় বাসতো ভালো গল্প বলত কতো , আজকে থেকে বুড়িমা ও থাকবে যে তার মতো। আমরা দুজন খেলব লুডো দুই বন্ধু যেন , তোমাকেও তো ভালবাসি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

স্বপ্ন

এমন কেন হয়, যখনই ভাল স্বপ্ন দেখি ঘুমটা ভেঙ্গে যায়। কালকে দেখি নতুন জুতো নতুন জামা পরে যাচ্ছি যেন ইস্কুলেতে ইস্কুলবাস চড়ে । নতুন নতুন বই খাতা সব করছিল চক্ চক্ এমন সময় হঠাৎ কোথায় শব্দ হল ঠক্ । চমকে উঠে জাপটে ধরি আমআর টিনের বাটি , সারাদিনের ভিক্ষার ধন, আমার জয়নকাঠি । ঘুমিয়ে ছিলাম স্বপ্নকাজল মাখিয়ে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

গাছকাটা

ও মামাগো শুনতে পাচ্ছো, গাছ কাটছে ভুলো! গাছ কাটছে কাটুকনা সে, কানেতে দাও তুলো । কী যে বলো, গাছ কাটাট বেআইনী তা জানো ? তুইতো জানিস বলনা গিয়ে গোল করছিস কেন । য়্যায় ভুলো, আয় নেমে আয় তো , গাছ কাটছিস কেন ? বেশ করেছি আমার ইচ্ছা বাবার গাছ যেন । তবেরে ব্যাটা বাপ তুলেছিস ডাকবনাকি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

অদ্ভুতুড়ে

মামদো বলে শাঁকচ্চূন্নী এ তোর কেমন ঢঙ, শণের নুড়ি চুলেতে তোর ঘোর কমলা রঙ। বেগুন ঠোঁটে ফাহুন হাসি গন্ধ মাখিস পচা বাসী খ্যাঁকরাকাঠি চেহারা তে সাদা খড়ির টান। তোকে দেখে শাঁকচ্চূন্নী নাচে আমার প্রাণ। আয়না আমার তেঁতুল গাছে, ভোজ হবে আজ পচা মাছে মন করে আনচান, ধরনা রে ও শাঁকচ্চূন্নী ক্যানক্যানে তোর গান । আমি থাকি শ্যাওড়া গাছে, শাঁকচ্চূন্নী ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

রমজান

রশিদমিঞা রিক্সা চালায় সকাল দুপুর রাত তাইতে তাদের জোটে কাপড় তাইতে জোটে ভাত  । রশিদমিঞার ছোট্ট ছেলে রমজান তার নাম বায়না ধরে পরবে সে যে করবে না এই কাম । রশিদ গিয়ে বল্লে বাবু পড়বে আমার ছেলে , ভর্ত্তি করে নেবে বল কত রূপয় দিলে ? হেডমাষ্টা বলে কিছুই দিতে হবে নাকো ডোনেশনের বাক্সে কেবল হাজারখানেক রাখো ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

ধিক্কার

bloody.jpg ধিক্ ধিক্ ধিক্কার ধিক্ এই সরকার এখানে বাতাসে বারুদগন্ধ ঘাসে পরে ভাঙ্গা চুরি। হলদি বক্ষে শিশুদেহ ভাসে মার বুকে পোঁতা ছুরি। গুলি চলে গেছে বুক পিঠ চিরে রক্তে যে ভাসে যোনি । একি ভয়ানক শক্তি প্রকাশ কার এই শয়তানী ?ভীষণ দর্পে হেসে বলে বাবু - এরা তো বহিবাগত ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

নতুন সূর্য্য

নন্দীগ্রাম একটা নাম রক্ত দিয়ে লেখা - কৃষক এখানে ঝড়ায় রক্ত বন্দুকে টানে রেখা । রেখার দুধারে ভারাটে গুণ্ডা মরে মারে আসে তেড়ে , মেয়ে, শিশু, বুড়ো ভয়ে কেঁপে মরে লাল পতাকার ঘেরে । থানার দারোগা, সৈন্য সমেত দ্যাখে জুল জুল চোখে - কেমনে চলেছে হত্যালীলাটা , কেমনে মরছে লোকে । কৃষকের হাতে বন্দুক ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

দেবীমা

বড় বাড়ির বারান্দাতে প্রদীপ জ্বলে কত দূরের থেকে দ্যাখাচ্ছে ঠিক তারার মালার মত। বড়বাড়ির বৌ য্যানমা লক্ষ্মী প্রতীমা, ছেলে কোলে দাঁড়িয়ে আছে, আয়মা দেখে যা। ঝলমলে ওর পোষাক-আসাক, মুখ ভরা ওর হাসি, তোর কেনমা ছেঁড়া কাপড় কত দিনের বাসী। চলনা মা যাই ভোজ হচ্ছে, পেট ভ’রে খাই গিয়ে। নারে খোকা ভয় হয় রে, ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

নেমন্তন্ন

পরশু আমার বাড়ি এস মেয়ের আমার বিয়ে, আসবে কিন্তু খালি হাতে উপহার না নিয়ে। আশীর্ব্বাদ আর ভালোবাসা এটাই প্রার্থনীয় , নেহাত যদি ইচ্ছা করে কিছু একটা দিও। সোনার দাম তো অনেক চড়া, গয়না নাইবা দিলে, আজকাল তো অল্পদামেই অনেক কিছু মেলে। মেয়ের পিসী শুনলোনাতো হার কিনেছে মোটা, বিজনবাবু শুনছি নাকি দেবেন একটা গোটা। গোটা মানে গোটের মালা দাম ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]

লিখেছেনঃ santwana

বুড়োর হুড়ো

আমাদের অফিসেতে কাজ করে এক বুড়ো, কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা দিতে জানেন হুড়ো। পিয়নটাকে কেবল ছোটান ‘কিনে আনরে পান’। যখনই কেউ ছাড়বে ধুঁয়ো দেবেন একটা টান। ফাইল যদি টেবিলে যায় দেবেন একটা তাড়া - ‘পিছনেতে লাগছেনাকি কেউ কিম্বা কারা? অফিসএতে আসছি বলে কাজ করতেও হবে, এমন কথা এই বয়সে কে শুনেছে কবে। চিথি যদি লিখতে হবে লেখনা রে ভাই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]