বাংলা যুক্তাক্ষর বিভ্রাট
বিভ্রাট শব্দটি বোধ হয় ব্যবহার করা ঠিক হচ্ছে না তবু ব্যবহার করছি
টাইপের সুবিধা ও সৌন্দর্য মন্ডিত করার লক্ষ্যে যুক্তাক্ষর গুলো কিছুটা কর্তন ও বধির্ত করা হয়েছে , যেমন উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়
‘বিজ্ঞান ‘শব্দটি যুক্তাক্ষরটি হলো (জ+ঞ), আবার পরীক্ষা শব্দটি (ক+ ষ)
এই মুহূর্তে একটি কথা না বললেই নয় সেইটি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
কোমল পায়ে ও সে হেটে যায়
পায়ের ছোয়াঁয় কমল দোলে
তার বেনী দোলে নিত্য নৃত্যের ছন্দে
প্রজাপতি হয়ে ওড়ে যায় মনটা তার
মেঘেরও বেলায় রোদের জোছনায়
কোমল পায়ে ও সে হেটে যায়
পায়ের ছোয়ায় কমল দোলে
তার বেনী দোলে নিত্য নৃত্যের ছন্দে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
কাসুন্ধি স্মৃতি শিউলি ভোর
শিশির ভেজা নগ্ন তার পা
জীবনানন্দের ঘাস
নরম গালের মত রোদ
পানকৌরীর ভেজা চকচকে তনু
পাখীর স্নান বেলা অবেলায়
সন্ধ্যায় মনে পড়ে যায় এখানে
চকচকে সে পয়সা হঠাৎ
ধানসিড়ি হঠাৎ যুদ্ধ
কাঠাল মুচি সময়
গেছে চলে বহু দূরে
লাল সেই পতাকা যুদ্ধ
বাহ্যিক শোক বৃষ্টি এইখানে
অণুষ্টান আছে শোক প্রকাশের
সেজে গুজে উপচে পড়া
শ্বেত মাংশাসি নারি সে
করে যায় গত রাত্রি ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
দুঃখ
আমার বাম অলিন্দে
নীল কষ্টের যমুনা
বহে নদীর মতন
ঘুমিয়ে আছি নিজের
মধ্যে গহীন বালুচরে
কাল দুঃখের মতন
যেমনি হংস বলাকা
ঘুমিয়ে থাকে নিজের
পালকের মধ্যিখান
অত্যন্ত সংগোপনে
প্রবেশাধিকার নেই
কারো সে দুঃখ রাজ্যে
সেটি শুধুই আমারি রাজত্ব ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
এখন বৃস্টিতে স্নাত
হয় না মৃত্তিকা আর
ফসফরাসে ভরে যায়
আমার স্বপ্লীল নদী
প্রচন্ড মাইক্রো ওয়েভ
নমনীয় তন্রী গলে যায়
এই খানে সব খানে
আমি নির্বাচিত হই গিনিপিকে
এক্সপেরিমেন্ট হয় মৃত্যু
হঠাৎ করেই খসে পড়ে
আপাদমস্তক যেমনি করে
খসে পড়ে আম যত্রতত্র
দস্যি ছেলে তীক্ষ্ণ ঢিলের আঘাতে
নিয়ন্ত্রিত তীক্ষ্ণ আলো
বিচ্ছূরিত হয় দিকে দিকে
চোখ খসে যায় অহরহ
ক্লাস্টার বিস্ফোরকে
হৃদয় ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
ফিরে তাকালে ,
বসলে নিবিড় পাশ-টি ঘেষে এসে
টলটলে চোখ কথা বলে ওঠে-
'কেমন আছিস?'
আমি যে ভাল নেই, তা কি জানা নেই?
আমি যে ভাল নেই !
আমি যে একেবারেই ভাল নেই !
তাকিয়ে আছ ,
তাকিয়েই আছ ...
শীতল হতে চাইছো খুব ঠান্ডা হাওয়ার ঔয়ৎদঢ পেয়ে
এখন তুমি ও কাঁদছো অঝোরে ,
অশ্রু শুকোনো সবাক চোখ দু'টি
এখন, বৃষ্টিস্নাত জুঁই ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তোমার দৃষ্টিতে ঘোর !
ঘুণ পোকা ঢুকে যাচ্ছে, চোখ থেকে ক্রমশ বুকে
গলা বেয়ে নেমে আসতেই
সতর্ক খাকারি দিলে নিজেকে
পোকাটি নরম; স্থির কিছুক্ষন
অপলক চোখে তাকালে আবার তার দিকে
গাল দুঞ্চটো রক্তাভ লাল, মৃদু আগুনের আঁচ
বেলাভূমে লেপ্টে আছে চোখের পাতা
সীমান্ত দিচ্ছে পাড়ি সব সজারুর কাঁটা
তুমি আর নেই এখন তোমাতে
নোনা ঢেউ এ ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
সুঁচালো গম্বূজ শীর্ষ । কম্পিত আকাশ- নির্মলার
ছুড়ে দিলো আচ্ছ্বাদন খুলে হঠাৎ কী খেয়ালে
উদ্যত চুম্বন ঠোঁটে, উন্মিলিত মধুদ্রোণ
ফেনায়িত জোয়ার, প্রগলভ স্রোত
আয়নায় কে দাঁড়িয়ে !
অদূরে কোথাও বাজে রেবেকা চৌধুরীর গান
মূর্হূ-মূর্হূ করতালি, মুখর শ্রোতার প্রাণ
ঋজু দুঞ্চখানি পা; জানে না ছলনা
চকিতে দাঁড়ায় ঘুরে, প্রতিবিম্ব ছেড়ে
নারীর কি কখনও মন থাকতে ... [ বাকিটুকু পড়ুন ]
তোমার রুমালে কোন এক বিকেলে
অশ্রু জমা রেখেছে সে,
ঝিনুকের খোলে গুঁজে নিয়েছো তা একান্ত বিশ্বাসে
নিবিড় জড়িয়ে সেজেছে জ্ঞপ্রিয়াঞ্চ সাধনার্ঘ্য
তার কাছে আসাকে আপন ভেবে ভুল করেছো
সেই অশ্রু, সেই স্পর্শ মিথ্যে ছিল সব
সত্য ছিল শুধু- তোমার বিশ্বাস
আর ওই রুমালের ভাঁজ
আমার হাতের ছোঁয়া পেয়ে রক্ত-গোলাপ লাল হারায়
গন্তব্যে ওড়ে যাওয়া পাখি দিক বদলে পিছু ফিরে চায়
এই গোলাপের লাল , এই দিক হারা দিক
একবার শুধু না হয় বলে দিক
তাদের এমন বদলে যাওয়ায়
কি-ই বা সুুখ খুঁজে তারা পায় ?

Other Links